ঢাকারবিবার, ২৯শে জানুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

একদিনে আক্রান্ত কয়েক হাজার! করোনার বাড়বাড়ন্তে আবারও লকডাউন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
নভেম্বর ১০, ২০২২ ৪:০৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ফের লকডাউন। করোনার হাত থেকে রেহাই মিলছে না কোনও ভাবেই। করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় চিনে ফের লকডাউন। দক্ষিণ চিনের গুয়াংঝৌ প্রদেশে লকডাউন ঘোষণা করল জি জিনপিংয়ের দেশ। গুয়াংঝৌ প্রদেশকে চিনের উৎপাদনকেন্দ্র বলা হয়। সেখানে আবারও লকডাউন চালু হওয়ায় উৎপাদন সাময়িক ধাক্ক খাবে। আর এর জেরে চিনের ধুঁকতে থাকা অর্থনীতি আবারও ধাক্কা খাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। গুয়াংঝৌ ছোট এলাক-মাত্র এক কোটি তিরিশ লক্ষ জনসংখ্যা। সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় আড়াই হাজারের উপর মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। আর তার পরেই আকস্মিক লকডাউনের সিদ্ধান্ত সেখানে। ওই প্রদেশের আধিকারিকরা স্থানীয় বাসিন্দাদের বাড়ি থেকে বের হতে নিষেধ করে দিয়েছেন। গাড়ি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে স্কুল-কলেজও। গুয়াংঝৌ থেকে এমনকি বাতিল করে দেওয়া হয়েছে বেজিং-সহ অন্যান্য বড় শহরগামী বিমান পরিষেবাও!

ইদানীং করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমে আসায় এবং মৃত্যুসংখ্যাও প্রায় শূন্য হয়ে যাওয়ায় বিশ্বের সব দেশই কোভিডবিধি শিথিল করেছে। তবে চিন তাদের সিদ্ধান্তে এখনও অনড়। কোনও ভাবেই কোভিডবিধি শিথিল করতে রাজি নয় তারা। আর বারবার এই বিধিনিষেধ আরোপের ফলে স্থানীয় সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রায়শই বিবাদ বাধছে চিনের সংশ্লিষ্ট এলাকার সরকারি আধিকারিকদের। যেমন কিছুদিন আগেই লাসার বাসিন্দাদের সঙ্গে বিরোধ বেধেছিল চিনের প্রশাসনিক আধিকারিকদের। লাসার বাসিন্দাদের বাধ্যতামূলক ভাবে লকডাউনের দিকে ঠেলে দিয়েছে চিন। তাদের জনজীবন ব্যাহত হচ্ছে। তাই তারা বিক্ষোভ দেখিয়েছে।

প্রসঙ্গত, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কোভিডবিধি শিথিল করে নেওয়ার আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে প্রেসিডেন্ট জিনপিংয়ের নেতৃত্বাধীন কমিউনিস্ট পার্টি। এমনকি করোনা টিকা আমদানি করতেও অস্বীকার করেছে তারা। তা হলে, এভাবে কি করোনার অন্ধগলির মধ্যেই ঘুরপাক খাবে চিনের সাধারণ মানুষের জীবন?