ঢাকারবিবার, ২১শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

এসআই আল মামুন কবিরকে নিয়ে কেন এত অপ প্রচার?

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৪ ৬:৪৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বার বার ছিনতাইকারী, মাদকসেবী ও অপরাধী চক্রের টার্গেটে পরিণত হচ্ছেন সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই ) আল মামুন কবির। মাদকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেই তাকে সাজানো অভিযোগে নানাভাবে হয়রানী করা হচ্ছে –এমনটাই অভিযোগ এই পুলিশ কর্মকর্তার।

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে তাকে নিয়ে ছড়ানো হচ্ছে বিভ্রান্তিকর তথ্য। রটনা হচ্ছে কুৎসা। ২০ টির অধিক ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদযাটনে উপ-পরিদর্শক (এস আই ) আল মামুন কবির একাধিকবার পেয়েছেন শ্রেষ্ঠ তদন্তকারী কর্মকর্তার ক্রেষ্ট ও সনদ।

মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নেয়া এই কর্মকর্তার অভিজ্ঞতার ঝুঁড়িতে রয়েছে অসংখ্য সাফল্যের পালক। তথ্য প্রযুক্তি থেকে অপরাধী দমনে এই কর্মকর্তার প্রশংসা যেখানে পুলিশ লাইন ছাড়িয়ে পুলিশের উচ্চ পর্যায়ে সেখানে তার বিরুদ্ধে ছড়ানো হচ্ছে একের পর এক কুৎসা।

ভুক্তভোগী এই পুলিশ কর্মকর্তা এসব অপপ্রচারে বিব্রত। হতবাক তার সহকর্মিরাও। মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন তথ্য সন্নিবেশিত খবর।

তবে অপপ্রচার করেও শেষ রক্ষা হয়নি। সেই পত্রিকাতেই খবরের প্রতিবাদ ছাপা হলে চাপে পড়েন সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদক।

গত ২৫ ফেব্রুয়ারী দৈনিক যুগান্তরে একটি ক্রসফায়ারের হুমকি: ‘সাভারে এসআই’র বিরুদ্ধে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ’ শিরোনামে উদ্দেশ্যমূলক একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। উক্ত সংবাদে যাদের উদ্ধৃতি দিয়ে পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশিত হয়,তারাই সংবাদ প্রকাশের পর হতবাক হন।

এদের মধ্যে কথিত ভুক্তভোগী সজল ও সাইফুল ইসলাম জানান,এমন কোন ঘটনা ঘটেনি। উল্টো তাদের জবানীতে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করার তারা এ বিষয়ে সাভার মডেল থানার একটি সাধারণ ডাইরী( নং- ২৩৬৯ তারিখ-২৬/২/২৪ ) করেন।

সজল জানান,এভাবে আমাদের নাম নিয়ে সাংবাদিক মতিউর রহমান মিথ্যা নিউজ করবে- তা আমরা কল্পনাও করিনি। এদিকে জেলা পুলিশের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান,সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই ) আল মামুন কবিরের বিরুদ্ধে এ ঘটনার পেপার কাটিং আমাদের দপ্তরে এসেছে। আমরা উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে বিষযটির তদন্ত শুরু করি। তবে এর মধ্যেই ভুক্তভোগীরা জানান,সংবাদটি মিথ্যা।

সেই কর্মকর্তার মতে,এভাবে পুলিশের বিরুদ্ধে মিথ্যা,বানোটার ও কল্পনানির্ভর সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্ত্তি বিনষ্টের চেষ্টা চলছে। পুলিশ সপ্তাহকে সামনে রেখে এ ধরনের তৎপরতা মাদকসেবী,ছিনতাইকারী ও অপরাধী চক্রের পৃষ্ঠপোষকতার আড়ালে করা হচ্ছে কি’না সে বিষয়টি সন্দেহের উদ্রেক করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।