ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬ , ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিক্ষার্থী হত্যায় ৩ দিনের রিমান্ডে মাদরাসা শিক্ষক জাকারিয়া

অনলাইন ডেস্ক
১ ঘন্টা আগে
শিক্ষার্থী হত্যায় ৩ দিনের রিমান্ডে মাদরাসা শিক্ষক জাকারিয়া
রাজধানীর রায়েরবাগের জোড়াখাম্বা এলাকার একটি মাদরাসা থেকে শিশু শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় করা হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দুজনের মধ্যে এক মাদরাসা শিক্ষকের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৩ অগাস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। রিমান্ডপ্রাপ্ত আসামি হাফেজ মো. জাকারিয়া রওয়াজাতুল উলূম হাফিজিয়া নুরানী মাদরাসার শিক্ষক।

একই সঙ্গে বয়স বিবেচনায় শিশু হওয়ায় জুবায়ের নামে আরেক আসামির রিমান্ড শুনানির জন্য শিশু আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এদিন কারাগার থেকে দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। বাদীপক্ষের আইনজীবী হারুনর রশীদ খান রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষে দেওয়ান ইমদাদুল আলম রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন প্রার্থনা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে ৩ আগস্ট দুপুরে ওই মাদরাসার তৃতীয় তলার বাথরুম থেকে মো. নাঈম শেখ নামে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তার মা নাজমা বেগম এই দুইজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

মামলার পর রাত ১০ টার দিকে তাদের মাদরাসা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গত ৪ আগস্ট তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। পরদিন গত ৫ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কদমতলী থানার এসআই আমজাদ হোসেন তার পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। ওইদিন আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য ১৩ আগস্ট দিন ধার্য করেন।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, নাজমা বেগমের দুই ছেলেই ওই মাদরাসায় পড়াশোনা করে। আসামিরা বিভিন্ন কারণে নাঈমকে নির্যাতন করতো। নাঈম বিষয়টি তার মাকে জানান। নাজমা তার ছেলেকে মাদরাসা থেকে নিয়ে আসতে চান। কিন্তু আসামিরা মাদরাসা থেকে ছাড়পত্র দেবে না মর্মে জানায়। নাঈম সেখানে পড়াশোনা করতে না চাওয়ায় আসামিরা তার উপর ক্ষিপ্ত হয় এবং নির্যাতন করতে থাকে। সোমবার দুপুর ১টার দিকে নাঈম তার শিক্ষকদের জানিয়ে দেয়, সে মাদরাসায় পড়বে না। তখন তাকে মারধর করা হয় এবং চেঙ্গাদোলা করে রাখে। পরবর্তীতে দুপুর ১টা থেকে আড়াইটার মধ্যে আসামিরা নাঈমকে শ্বাসরোধে হত্যা করে।


কমেন্ট বক্স