ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের হামলার আশঙ্কায় সৌদি আরব থেকে নিজেদের কূটনীতিক ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। জরুরি দায়িত্বে নিয়োজিত নন—এমন মার্কিন সরকারি কর্মী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের অবিলম্বে সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি সৌদি আরবে হুথিদের হামলা বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশটির দাম্মামের কিং ফাহদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় একজন নিহত ও আটজন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া সৌদি আরামকোর শায়বাহ তেলক্ষেত্রে ড্রোন হামলার ঘটনায় ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে আরও দুজন নিহত হয়েছেন।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে কূটনীতিকদের সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ইরান-সমর্থিত হুথিরা সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা বাড়িয়েছে। এসব হামলায় প্রাণহানির পাশাপাশি যাতায়াতব্যবস্থায়ও বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটছে।
এদিকে, হুথিদের সম্ভাব্য আরও হামলার আশঙ্কায় গত বুধবার সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস নতুন করে নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে। এর আগে রিয়াদ বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন স্থানে প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা ঘটে। গত মার্চের শুরুতে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর পর রিয়াদে মার্কিন দূতাবাস ও সিআইএর কার্যালয়েও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে চারজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শুধু সৌদি আরব নয়, উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য দেশেও মার্কিন কূটনৈতিক মিশন থেকে কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে ওয়াশিংটন।
তবে সৌদি আরবের বাইরের দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন মিশনগুলোর বিষয়ে মুখপাত্র টমি পিগট আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু নিশ্চিত করেননি।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়া সংঘাতে হুথিদের হামলা নতুন মাত্রা যোগ করেছে। চলমান সংঘাতের প্রভাব বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাণিজ্যেও পড়ছে। একই সঙ্গে উপসাগরীয় দেশগুলোর অর্থনীতি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের হামলার আশঙ্কায় সৌদি আরব থেকে নিজেদের কূটনীতিক ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। জরুরি দায়িত্বে নিয়োজিত নন—এমন মার্কিন সরকারি কর্মী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের অবিলম্বে সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি সৌদি আরবে হুথিদের হামলা বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশটির দাম্মামের কিং ফাহদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় একজন নিহত ও আটজন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া সৌদি আরামকোর শায়বাহ তেলক্ষেত্রে ড্রোন হামলার ঘটনায় ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে আরও দুজন নিহত হয়েছেন।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে কূটনীতিকদের সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ইরান-সমর্থিত হুথিরা সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা বাড়িয়েছে। এসব হামলায় প্রাণহানির পাশাপাশি যাতায়াতব্যবস্থায়ও বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটছে।
এদিকে, হুথিদের সম্ভাব্য আরও হামলার আশঙ্কায় গত বুধবার সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস নতুন করে নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে। এর আগে রিয়াদ বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন স্থানে প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা ঘটে। গত মার্চের শুরুতে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর পর রিয়াদে মার্কিন দূতাবাস ও সিআইএর কার্যালয়েও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে চারজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শুধু সৌদি আরব নয়, উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য দেশেও মার্কিন কূটনৈতিক মিশন থেকে কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে ওয়াশিংটন।
তবে সৌদি আরবের বাইরের দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন মিশনগুলোর বিষয়ে মুখপাত্র টমি পিগট আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু নিশ্চিত করেননি।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়া সংঘাতে হুথিদের হামলা নতুন মাত্রা যোগ করেছে। চলমান সংঘাতের প্রভাব বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাণিজ্যেও পড়ছে। একই সঙ্গে উপসাগরীয় দেশগুলোর অর্থনীতি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
সম্প্রতি সৌদি আরবে হুথিদের হামলা বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশটির দাম্মামের কিং ফাহদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় একজন নিহত ও আটজন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া সৌদি আরামকোর শায়বাহ তেলক্ষেত্রে ড্রোন হামলার ঘটনায় ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে আরও দুজন নিহত হয়েছেন।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে কূটনীতিকদের সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ইরান-সমর্থিত হুথিরা সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা বাড়িয়েছে। এসব হামলায় প্রাণহানির পাশাপাশি যাতায়াতব্যবস্থায়ও বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটছে।
এদিকে, হুথিদের সম্ভাব্য আরও হামলার আশঙ্কায় গত বুধবার সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস নতুন করে নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে। এর আগে রিয়াদ বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন স্থানে প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা ঘটে। গত মার্চের শুরুতে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর পর রিয়াদে মার্কিন দূতাবাস ও সিআইএর কার্যালয়েও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে চারজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শুধু সৌদি আরব নয়, উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য দেশেও মার্কিন কূটনৈতিক মিশন থেকে কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে ওয়াশিংটন।
তবে সৌদি আরবের বাইরের দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন মিশনগুলোর বিষয়ে মুখপাত্র টমি পিগট আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু নিশ্চিত করেননি।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়া সংঘাতে হুথিদের হামলা নতুন মাত্রা যোগ করেছে। চলমান সংঘাতের প্রভাব বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাণিজ্যেও পড়ছে। একই সঙ্গে উপসাগরীয় দেশগুলোর অর্থনীতি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।