1. banglalivedesk@gmail.com : banglalive :
  2. emonbanglatv@gmail.com : Dewan Emon : Dewan Emon
এবার যুক্তরাষ্ট্র বিরোধী বিশাল বিক্ষোভে ছেয়ে গেছে ইরাক!
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২০, ০৮:৫৭ অপরাহ্ন

এবার যুক্তরাষ্ট্র বিরোধী বিশাল বিক্ষোভে ছেয়ে গেছে ইরাক!

বাংলালাইভ২৪.কম
  • আপডেট সময় শনিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২০
আন্তর্জাতিক ডেস্ক । বাংলালাইভ২৪.কম

ইরাকের রাজধানী বাগদাদে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। সে বিক্ষোভ পরিণত হয়েছে জনসমুদ্রে। প্রভাবশালী শিয়া নেতা মুক্তাদা আস-সাদরের ডাকা ‘মিলিয়ন-ম্যান মার্চ’ নামে এই বিক্ষোভে এখন কাঁপছে গোটা বাগদাদ। কয়েক দশকের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী এত বড় বিক্ষোভ আর দেখা যায়নি।

শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরের আগ থেকেই বাগদাদের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিক্ষোভে যোগ দিতে থাকেন ইরাকিরা। রাজধানীর বাইরের বিভিন্ন প্রদেশ থেকেও এই কর্মসূচিতে যোগ দিতে থাকেন শিয়া, সুন্নি, কুর্দি ও আরব- নির্বিশেষে সব গোত্র-সম্প্রদায়ের ইরাকিরা। দুপুর নাগাদ বাগদাদে জড়ো হয় লাখ লাখ মানুষ।

পশ্চিমাদের বেকায়দায় ফেলে দিয়েছে ইরান!

সোলাইমানি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরাকে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইরান। যে মার্কিনিরা সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে বলে দাবি করে তাদের ঘাটিতেই টানা দুই ঘণ্টা ধরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে ইরানি সেনারা নিজেদের সামরিক সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছেন।

এছাড়া সোলাইমানি হত্যাকাণ্ডের জেরে ইরান ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত পরমাণু চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসারা ঘোষণা দিয়েছে। পাশাপাশি অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্য না ছাড়লে মার্কিন সেনাদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা। সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের এসব কার্যক্রম বেকায়দায় ফেলে দিয়েছে পশ্চিমাদের।

গত ৩ জানুয়ারি ইরাকের বাগদাদে মার্কিনিদের ড্রোন হামলায় নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ সামরিক কর্মকর্তা জেনারেল কাসেম সোলাইমানি। এই হত্যাকাণ্ড চালানো হয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে। সোলাইমানি হত্যাকাণ্ডের কঠিন প্রতিশোধ নিতে গত ৮ জানুয়ারি ইরাকে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান।

এতে অন্তত ৮০ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে তেহরান। সবমিলিয়ে এ কথা বলা যায় যে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্কে এখন যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। এমন পরিস্থিতিতে গত শনিবার (১৮ জানুয়ারি) এক সাক্ষাৎকারে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুহাম্মদ জাভেদ জারিফ জানিয়েছেন, ইরান আর কখনোই পারমাণবিক চুক্তিতে জড়াবে না।

বর্তমানে এ সংক্রান্ত কোনো ধরনের সমঝোতায় জড়ানোর মতো পরিস্থিতি নেই। এছাড়া ২০১৫ সালে ছয় জাতির সঙ্গে স্বাক্ষরিত পরমাণু চুক্তি থেকেও নিজেদের প্রত্যাহার করে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

এর আগে গত ১৬ জানুয়ারি ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি এক ভাষণে বলেছেন, ২০১৫ সালে পারমাণবিক চুক্তি স্বাক্ষরের আগে আমরা যে পরিমাণ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করেছিলাম, বর্তমানে তার চেয়ে আরও বেশি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করছি। আর ভবিষ্যতে এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।

বর্তমানে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের হার ৪ শতাংশ। তবে আগামী ৬ মাসে এই হার বাড়িয়ে ২০ শতাংশে নিয়ে যাবে বলে ঘোষণা দিয়েছে তারা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব হলো পারমাণবিক অস্ত্র বানানোর পথে একেকটি পদক্ষেপ।

বিষয়টির দিকে ইঙ্গিত করে ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্য ইয়েভস লি দ্রিয়ান বলেছেন, আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে ইরান পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হবে। ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত পরমাণু চুক্তি অকার্যকর হয়ে পড়লেই লক্ষ্যে পৌঁছাবে তারা। কারণ দ্রুত সময়ের মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র বানানোর মতো সবধরনের প্রস্তুতি তাদের রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যের মতো প্রভাবশালী দেশগুলোর নেতারা ইতোমধ্যেই ইরানের সামরিক সক্ষমতার বিষয়টি মেনে নিয়েছেন। ইরান যদি পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হয়ে যায়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে পশ্চিমাদের আধিপত্য কমে যাবে। সেটা ভেবে বেশ আতঙ্কে আছেন আমেরিকা ও ইউরোপের প্রভাবশালী দেশের নেতারা। তাই তারা ইরানকে কিছুতেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে দিতে চান না।

সূত্র: বিবিসি, রয়টার্স, আল-জাজিরা, পার্সটুডে ও মিডল ইস্ট মনিটর

এ জাতীয় আরো খবর

সতর্কতা

বাংলালাইভ২৪.কমে প্রকাশিত বা প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© All rights reserved © 2019 BanglaLive24
Theme Developed BY ThemesBazar.Com
themesbazarbanglalive1