ঢাকামঙ্গলবার, ১৯শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

আশুলিয়ায় ব্যতিক্রমী বাজার বসিয়ে প্রসংশায় ভাসছে ছাত্রলীগ

বাংলালাইভ ডেস্ক
মে ১০, ২০২০ ৫:০১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট । বাংলালাইভ২৪.কম

দেশে করোনাভাইরাসের পাদুর্ভাবে নিত্য প্রয়োজনীয় সংকটে যখন দিন পার করছিলো সাধারন মানুষ । ঠিক সেই মূহুর্তে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান সম্রাটের উদ্যোগে সামাজিক দূরত্ত্ব বজায় রেখে আশুলিয়া স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে বসানো হয় ব্যতিক্রমী এক হাট । লকডাউনের মধ্যে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে সকলে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী সহজে ক্রয় করতে পারছে এই বাজার থেকে । কোন ধরনের খাজনা না দিয়ে ব্যবসা করতে পেরে খুঁশি দোকানিরাও ।

এলাকাবাসীর সুবিধার জন্য গত ১৪ এপ্রিল থেকে বাজারটি চলমান রাখা হয়েছে। বাজারটিতে বসানো হয়েছে প্রায় দুই শতাধিক অস্থায়ী দোকান । কি নেই এই বাজারে। বাজারটিতে রয়েছে মুদি দোকান, মাছ, মাংস, ফল, সবজি ও কাপড়ের দোকান।
করোনা পরিস্থিতে এমন উদ্যোগ কে স্বাগত জানিয়েছে এলাকাবাসী।

বাজারের ভিতরে পশ্চিমপাশে ছাত্রলীগের উদ্যোগে একটি অস্থায়ী চিকিৎসা ক্যাম্প করে ফ্রিতে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে ।

বাজারটির ব্যবস্থাপক সাইদুর রহমান সম্রাট বলেন, শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় কয়েক লক্ষ্য পোশাক শ্রমিকদের বসবাস। করোনাভাইরাসের পাদুর্ভাবে নিত্য প্রয়োজনীয় সংকটে যখন দিন পার করছিলো সাধারন মানুষ । তখন আমি তাদের কথা চিন্তা করে এই ব্যবস্থা করি। আমার উদ্যোগে করা এই বাজারটিতে সাধারন মানুষের সুরক্ষা চিন্তা করে মাঠে রয়েছে ২০জন ছাত্রলীগের একটি সেচ্ছাসেবী টিম। এই বাজারে নির্বিগ্নে ব্যবসা করতে মওকুফ করা হয় সকল ব্যসবায়ীদের খাজনা।

বাজারের মাছ ব্যবসায়ী রিপন মিয়া বলেন, সম্রাট ভাই আমাদের জন্য এই বাজারে বসার ব্যবস্থা না করলে করোনার আগে না খেয়েই মরে যেতাম।

রিপন মিয়া একা নন, এক সুরে কথা বলেছেন অপর ব্যবসায়ী মুজিবর রহমানও । তিনি বলেন, করোনার দুর্যোগ পরিস্থিতে খাজনা ছাড়া এমনভাবে ব্যবসা করা স্বপ্নের মত এটা শুধু সম্ভব হয়েছে সম্রাট ভাইয়ের জন্য । তাছাড়াও তার লোকজন সব সমসই খোঁজ খবর নিচ্ছে কেমন আছি, কোন সমস্যা হচ্ছে কি না ইত্যাদি বিষয়ে।

বাজারে স্বেচ্ছাসেবীদের টিম লিডার হিসেবে রয়েছে আশুলিয়া থানা ছাত্রলীগের মো. ইয়াসিন আরাফাত পাপ্পু তিনি বলেন, এই বাজারে মানুষের সামাজিক দূবত্ব বজায় রাখা এবং তাদের সুরক্ষা দিতে আমার টিম সার্বক্ষন কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে আমরা বাজারে একটি অস্থায়ী চিকিৎসা ক্যাম্প করেছি এখান থেকে সকলকে ফ্রিতে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে এবং দিনের শুরুতে যখন দোকানিরা বাজারে প্রবেশ করে তখন তাদের হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও মাস্ক দিচ্ছি ফ্রিতে।