1. banglalivedesk@gmail.com : banglalive :
  2. emonbanglatv@gmail.com : Dewan Emon : Dewan Emon
  3. emonnagorik@gmail.com : Rajbari Correspondent : Rajbari Correspondent
কোভিড-১৯ : পঞ্চগড়ে বসবেনা না দুই বাংলার মিলন মেলা
বুধবার, ১৯ মে ২০২১, ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন

কোভিড-১৯ : পঞ্চগড়ে বসবেনা না দুই বাংলার মিলন মেলা

মামুনুর রশীদ, পঞ্চগড় করেসপন্ডেন্ট । বাংলালাইভ২৪.কম
  • আপডেট সময় বুধবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২১

করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ প্রতিরোধে সারাদেশে ডাকা ২য় বারের মতো সপ্তাহব্যাপি লকডাউনের প্রথম দিনে পহেলা বৈশাখ হওয়ায় পঞ্চগড়ের বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত অভিমুখে এবারো বসবে না দুই বাংলার মিলন মেলা।

এতে করে প্রতি বছরের মতো পহেলা বৈশাখে সূর্য উঠার সঙ্গে সঙ্গে পঞ্চগড়ের সীমান্ত অভিমুখে মানুষের ছুটে যাওয়ার সেই চিরচেনা দৃশ্য চোখে পড়বে না।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারি ১৩ দফা নির্দেশনার পাশপাশি সীমান্তে অবৈধ প্রবেশ নিষিদ্ধসহ সকল আইন মেনে এই ঘোষণা প্রদান করে বোর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি।

মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন পঞ্চগড়-১৮ বিজিবির লে. কর্ণেল খন্দকার আনিছুর রহমান ও নীলফামারীর অধীনস্ত ৫৬ বিজিবির লে. কর্ণেল মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন।

পঞ্চগড়-১৮ ও নীলফামারী-৫৬ বিজিবির লে. কর্ণেলগন বলেন, করোনা সংক্রমণ মারাত্মকভাবে বেড়ে যাওয়ায় প্রথম দফায় মানুষের চলাচল ও কার্যক্রমে বিধি-নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর ১৪ এপ্রিল (বুধবার) থেকে সপ্তাহব্যাপী চলাচলে বিধি-নিষেধ তথা কঠোর লকডাউন ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। এই বিধি-নিষেধ তথা লকডাউন মেনে মানুষের সুরক্ষার কথা চিন্তা করে এবারো বসানো হবে না পঞ্চগড়ের দুই বাংলার মিলন মেলা।

সাধারণত পহেলা বৈশাখে এই মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। প্রতি বছর বাংলা নববর্ষ পঞ্চগড়ের অমরখানা, শুকানি, মাগুরমারি ও ভূতিপুকুর সীমান্তসহ বেশ কয়েকটি কাঁটাতারের বাইরে দুই বাংলার এই মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় দু’দেশের হাজার হাজার মানুষ জমায়েত হয়ে একে অন্যের সঙ্গে কথা ও ভাব বিনিময় করেন।

কারণ বছরের মাত্র এই একটি সময় আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে দেখা হয়। কাঁটাতারের দুই পাড়ে থেকে আত্মীয়রা স্বজনেরা কথা বলেন। উপহার বিনিময় করেন। চোখের জলে বিদায় দেন। কয়েক ঘণ্টার জন্য সেখানে যেন মানুষের মেলা বসে যায়। অনেকে পদ্মার ইলিশ কিনতে আসেন। কাঁটাতারের বেড়ার ওপর দিয়ে টাকা ছুঁড়ে দিলে ইলিশ মেলে। তবে এবারো সেই অন্যরকম আনন্দ চোখে পড়বে না।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভারত-পাকিস্তান বিভক্তির আগ পর্যন্ত এই জেলা ভারতের জলপাইগুড়ি অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিন্তু, দেশ ভাগের কারণে এখানে বসবাসরত আত্মীয়-স্বজন দুভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েন। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরেও দুদেশের নাগরিকরা আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে যাতায়াতের সীমিত সুযোগ পেতেন। কিন্তু, সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার পর থেকে সে সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন তারা। উভয় দেশের নাগরিকদের অনুরোধে প্রায় এক যুগের বেশ কিছু সময় ধরে বিজিবি ও বিএসএফের সম্মতিতে নববর্ষের দিন তারা কাঁটাতারের দুই ধারে এসে দেখা করার সুযোগ পান।

অর্থাভাবে পাসপোর্ট-ভিসা করতে না পারা দুই দেশের মানুষ এই দিনটির অপেক্ষায় থাকেন স্বজনদের সঙ্গে দেখা করে কুশলাদি বিনিময়ের জন্য। শুধু পঞ্চগড় নয়, আশপাশের কয়েকটি জেলা থেকে হাজার হাজার মানুষ স্বজনদের জন্য নিয়ে আসেন নানা রকমের উপহার।

 

এ জাতীয় আরো খবর

সতর্কতা

বাংলালাইভ২৪.কমে প্রকাশিত বা প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

বিজ্ঞাপন

© All rights reserved © 2019 BanglaLive24
Theme Developed BY ThemesBazar.Com
themesbazarbanglalive1