ঢাকাসোমবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

পুরো বাংলাদেশ দলের গোল মালদ্বীপের একজনের গোলের অর্ধেক

স্পোর্টস ডেস্ক
অক্টোবর ৭, ২০২১ ৬:২৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

গোল করার দারুণ ক্ষমতা ও বাঁ পায়ে খেলেন বলে ‘দক্ষিণ এশিয়ার মেসি’ বলা হয়ে থাকে আলী আশফাককে। বয়স ৩৬ হয়ে গেলেও প্রতিপক্ষের জন্য আতঙ্কের অন্য নাম হয়ে আছেন মালদ্বীপের এই ফরোয়ার্ড। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে আজ তাঁর বিপক্ষেই পরীক্ষা দিতে হবে বাংলাদেশের রক্ষণভাগকে। বাংলাদেশ সময় ম্যাচটি শুরু হবে রাত ১০টায়।

কিন্তু ম্যাচের আগে চোখ কপালে তুলে দেওয়ার পর একটা পরিসংখ্যান এসে যাচ্ছে আলোচনায়। ২০০৩ সালে অভিষেকের পর পুরো আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে আশফাক যতগুলো গোল করেছেন, এবারের সাফে খেলতে যাওয়া পুরো বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়দের সম্মিলিত গোলও তার অর্ধেক নয়।

৮১ ম্যাচ খেলে ৫৩ গোল করেছেন আশফাক। সাফে খেলতে যাওয়া পুরো বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়দের মোট গোল ১৯টি। এই পরিসংখ্যানেই স্পষ্ট আশফাকের গোল করার ক্ষমতা।

শুধু ওপেন প্লে-তে নয়, ফ্রি-কিক থেকেও গোল করতে পারদর্শী মালদ্বীপ জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক।

সাফ ফুটবলের ইতিহাসেও নিজেকে আলাদা আসনে বসিয়ে রেখেছেন আশফাক। এখন পর্যন্ত ২০ গোল করে সাফের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা তিনিই।

সাফে বাংলাদেশের বিপক্ষে সর্বশেষ দুই ম্যাচে একটি করে গোল করেছেন। দুটি ম্যাচেই বাংলাদেশ হেরেছে ৩-১ গোলে। আজ বাংলাদেশের রক্ষণভাগের সব ভাবনা যেন তাঁকে ঘিরে।

আশফাক ছাড়াও মালদ্বীপের আক্রমণভাগের বেশ কয়েকটি সমীহ জাগানো নাম আছে। ৬০ ম্যাচে ১২ গোল আছে আলি ফাসিরের। আরেক ফরোয়ার্ড আসাদ আবদুল্লাহর আছে ৪০ ম্যাচে ৯ গোল। ২০১৬ সালে মালেতে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে সর্বশেষ সাক্ষাতে হ্যাটট্রিক করেছিলেন আবদুল্লাহ।

সাফে খেলতে যাওয়া বাংলাদেশ দলের সম্মিলিত ১৯ গোলের মধ্যে সর্বোচ্চ ৫টি করে গোল ডিফেন্ডার তপু বর্মণ ও ফরোয়ার্ড মাহবুবুর রহমানের। তপু ও মাহবুবুর ম্যাচ খেলেছেন যথাক্রমে ৩৮ ও ২৫টি করে।

এর বাইরে বিপলু আহমেদের ৩ গোল ও মতিন মিয়ার ২টি। একটি করে গোল করেছেন মোহাম্মদ ইব্রাহিম, ইয়াছিন আরাফাত, রেজাউল রেজা ও সাদ উদ্দিন।