ঢাকামঙ্গলবার, ৭ই ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

শওকতেই আস্থা আলীপুরের মানুষের

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
নভেম্বর ১০, ২০২১ ৪:১০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

রাজবাড়ী জেলার গুরুত্বপূর্ণ একটি ইউনিয়ন ‘আলীপুর’। এই ইউনিয়নে কয়েক হাজার শ্রমিকের কর্মস্থল রাজবাড়ী জুটমিল, সরকারি পাসপোর্ট অফিস, শেখ হাসিনা যুব প্রশিকক্ষন কেন্দ্রসহ অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান।


বাংলালাইভের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন 


সারা দেশের মত আলীপুর ইউনিয়নেও নির্বাচন নিয়ে সরগরম আলোচনা চলছে। কে কোন দলের প্রার্থী হচ্ছেন। কার কি অবস্থান । নির্বাচনে কে বিজয়ী হতে পারেন? তা নিয়ে নেতা-কর্মী ছাড়াও সাধারণ ভোটারদের মাঝে নানা সমীকরণ চলছে।

বিশেষ করে ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে কে মনোনয়ন পাচ্ছেন তা নিয়ে চলছে জোরাল আলোচনা। এসব সমীকরণ ছাপিয়ে সাধারণ মানুষের আস্থা দুই বারের বিপুল ভোটে নির্বাচিত চেয়ারম্যান মো. শওকত হাসানের উপর। এদিকে দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্তিতে তৃণমূলের ভোটে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন মো: শওকত হাসান।

স্থানীয়দের দাবি মডেল ইউনিয়নের রূপকার মো. শওকত হাসান যদি এবারও নৌকা প্রতীক পান তবে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভীষণ ‘গ্রাম হবে শহর’ এই ধারাবাহিকতায় নানামুখী কর্মকাণ্ডে শহরের মত নাগরিক সুবিধা পেতে ইউনিয়নের প্রধান সড়কে ৫ কিলোমিটার জুড়ে দৃষ্টিনন্দন সড়ক বাতি স্থাপন, শিশুদের বিনোদনের জন্য জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীতে দৃষ্টিনন্দন ‘মুজিব কানুন মিনি পার্ক,’ পানির ফোয়ারা নির্মাণ করে আলোচনায় রাজবাড়ী জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান মো. শওকত হাসান।

এছাড়াও প্রতিটি গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ স্থান, রাস্তার মোড় ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নিরাপত্তার জন্য বাতি স্থাপন, শিক্ষার্থীদের হাতে পরপর দু’বছর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ছবি সম্বলিত শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, ওয়েবসাইট তৈরীর মাধ্যমে সকল ডাটা এন্ট্রি, শতভাগ বিদ্যুৎ, বিশুদ্ধ পানি ও পয়নিস্কাশনের সুবিধা, ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ সকল রাস্তা পাকা করন ও শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে তাদের উৎসাহিত করেন বিগত তিন বারের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান মো. শওকত হাসান।

এসব উন্নয়ন এর পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডেও অগণিত অবদান রয়েছে মো. শওকত হাসানের।

মুজিব আদর্শের রাজপথের লড়াকু মো. শওকত হাসানের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে ১৯৮৪ সালে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক জীবন শুরু। পরবর্তীতে রাজবাড়ী কলেজ শাখার ছাত্রলীগ ও জেলা ছাত্রলীগের বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

১৯৯৬ সাল থেকে আলীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন মো. শওকত হাসান। এরপর থেকে টানা তিনবার রাজবাড়ী সদর থানা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করে আসছেন তিনি।

কর্মীবান্ধব মো. শওকত হাসান ইউনিয়ন যুবলীগের সকল শাখাকে সুসংগঠিত করে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে নিরলসভাবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

এছাড়াও তিনি, স্বৈরাচারী এরশাদ বিরোধী আন্দোলন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন খালেদা জিয়ার আওয়ামী লীগ বিরোধী সকল কর্মকাণ্ডকে প্রতিহত করতে রাজপথ থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন মো. শওকত হাসান।

২০০৩ সালে বিএনপি সরকারের শাসন আমলে প্রথমবারের মতো বিপুল ভোটে আলীপুর ইউনিয়ন থেকে নির্বাচিত হন মো. শওকত হাসান। পরবর্তীতে ২০১৬ সালে প্রথম দলীয় প্রতীকে নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন নিয়ে রাজবাড়ী জেলার সর্বোচ্চ ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হন তিনি।

এছাড়াও নির্বাচিত চেয়ারম্যানদের মধ্যে দক্ষতা মূল্যায়নে সরকারি খরচে মালয়শিয়া ও ফিলিপাইনে বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ পান মো. শওকত হাসান।

রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম নেওয়া মো. শওকত হাসানের পিতা ছিলেন গোয়ালন্দ মহকুমারের অধীনে আলীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও টানা তিনবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান।

১৯৭৫ সালের আগস্ট পরবর্তী ট্রাজেডির সময় যখন আওয়ামী লীগের নাম নেওয়ার মত কেউ ছিলেন না তখন জীবন বাজি রেখে রাজপথের সকল কর্মকাণ্ডে নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছিলেন মরহুম আজহার আলী শেখ।

শওকত হাসানের ছোট ভাই নাজমুল হাসান মিন্টু ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও রাজবাড়ী জেলা পরিষদের সদস্য।

নিজেকে সৎ যোগ্য দাবি করে মো. শওকত হাসান বলেন, ‘আমি দলে অনুপ্রবেশকারী নয়। ছাত্রজীবন থেকে সততার সঙ্গে রাজনীতি করে যোগ্যতার পরিচয় দিয়েছি। টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, মাদকের সঙ্গে কখনও নিজেকে জড়াইনি। ছাত্রলীগ থেকে রাজনীতির হাতেখড়ি, থানা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকের মত গুরুত্বপূর্ণ পদে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছি। বিগত দুবার জনগণের ভালোবাসায় তাদের ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। দলের ভাবমূর্তি বৃদ্ধির জন্য আমি মনে করি দল এবারও আমাকে মনোনয়ন দিয়ে মূল্যায়িত করবেন।

দল যদি আমাকে এবার মনোনয়ন দেন তবে বিগত দিনের মত সাধারণ মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে এই ইউনিয়নটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দেবো। এছাড়াও অসমাপ্ত যে কাজগুলো রয়েছে সেগুলো সমাপ্ত করে আলীপুর ইউনিয়নকে করবো দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ মডেল ইউনিয়ন।

পার্ট-১