ঢাকা শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ , ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তিব্বতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে ১৮ জনের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
৪ ঘন্টা আগে
তিব্বতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে ১৮ জনের মৃত্যু
চীনের স্বায়ত্তশাসিত তিব্বত অঞ্চলে আঘাত হেনেছে ৭ মাত্রার এক শক্তিশালী ভূমিকম্প। এতে অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও ৪৬ জন। আঘাতের ভয়াবহতায় অন্তত ৩৩৯টি বাড়িঘর ধসে পড়েছে কিংবা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভির বরাতে স্থানীয় কর্মকর্তারা এই হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাত ১০টা ৩৩ মিনিটে তিব্বতের নাগকু শহরের প্রায় ১৯০ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তর-পূর্বে পার্বত্য এলাকায় ভূকম্পনটি আঘাত হানে। স্থানটি আঞ্চলিক রাজধানী লাসা থেকে প্রায় ৩৯০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত।

ভয়াবহ এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরপরই দুর্গম এলাকাগুলোতে ব্যাপক উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেছে দেশটির প্রশাসন। উদ্ধারকাজে গতি আনতে ও ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ঘটনাস্থলে ৩০০ জনের বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ভূমিকম্পের তীব্রতায় রেস্তোরাঁ ও ভবন থেকে আতঙ্কিত মানুষ দ্রুত খোলা জায়গায় বেরিয়ে আসছেন এবং সুপারমার্কেটের সেলফ থেকে মালামাল মেঝেতে ছড়িয়ে পড়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

ঝুঁকিপূর্ণ এই অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়ার ঘটনা নতুন নয়। এর আগে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তিব্বতের তিংরি কাউন্টিতে শক্তিশালী এক ভূমিকম্পে অন্তত ১২৬ জনের প্রাণহানি ঘটেছিল। তা ছাড়া, গত আগস্টেই নেপাল-তিব্বত সীমান্তে উৎপত্তি হওয়া ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় দুই অঞ্চলের ১,৪০০ জনেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন।

তিব্বতের ঘটনার পাশাপাশি চীনে ৫ দশমিক ২ মাত্রার আরও একটি ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। ভারতের জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্র (এনসিএস) জানায়, ভারতীয় সময় রাত ৮টা ২৯ মিনিটে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল অরুণাচল প্রদেশের পাঙ্গিন থেকে প্রায় ৫০৫ কিলোমিটার উত্তর-উত্তর-পশ্চিমে, ভূপৃষ্ঠের ১৫ কিলোমিটার গভীরে।


কমেন্ট বক্স