সিলেট থেকে হবিগঞ্জের মাধবপুরের সড়ক হয়ে কনডেনসেটবাহী পাইপলাইন গেছে আশুগঞ্জে। সম্প্রতি রতনপুর ডাক্তার বাড়ি এলাকায় একটি চক্র পাইপলাইনটি ছিদ্র করে বিশেষ কায়দায় বসায় অবৈধ সংযোগ। হোসপাইপ ব্যবহার করে চুরি করে কনডেনসেট তেল।
বিষয়টি গত ৪ নভেম্বর জিটিসিএলের নিরাপত্তা কর্মীরা টের পেলে পালিয়ে যায় চক্রের সদস্যরা।
এসময় সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় চুরির কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম। নোয়াপাড়ার সাবেক ইউপি সদস্য ইসলাম উদ্দিনের বাড়ির পুকুর থেকে জব্দ করা হয় কনডেনসেট সংরক্ষণের কাজে ব্যবহৃত দুটি পানির ট্যাংক।
মাধবপুর থানার উপ-পরিদর্শক সামসুদ্দিন চৌধুরী বলেন, “বাড়ি থেকে জিটিসিএলের সহযোগিতায় একটি মটর, হোসপাইপ, তেল সংরক্ষণের দুটি পানির ট্যাংক এবং কিছু ড্রাম জব্দ করা হয়। ”
পাইপলাইন থেকে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার লিটার কনডেনসেট চুরি হয়েছে দাবি করে এমন তৎপরতায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ড হতে পারতো, বলছে জিটিসিএল।
জিটিসিএলের উপব্যবস্থাপক মো. জায়েদ হোসেন বলেন, “তারা যে লাইনটা করছে, এটা যদি ফেল করত, তাহলে তারা স্পট ডেড হয়ে যেত। ”
কনডেনসেট চুরির ঘটনায় বৃহস্পতিবার মাধবপুর থানায় নোয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য ইসলাম উদ্দিনসহ বেশ কয়েকজনকে আসামি করে একটি মামলা দেয় জিটিসিএল।
মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহেল রানা বলেন, “মামলা তদন্তাধীন আছে। আসামি গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
আরও পড়ুন: মোদি আমলে ২০ কোটি মুসলিম নিপীড়নের শিকার: সোনিয়া
অচিরেই হয়ত আমরা মূল রহস্য উদঘাটন করতে পারব। স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য তার বাড়ি থেকে আমরা তেল সংরক্ষণের ড্রামসহ আরও কিছু সরঞ্জাম উদ্ধার করেছি। ”
পাইপলাইন থেকে চুরি হওয়া কনডেনসেটের বাজামূল্য প্রায় পৌনে তিন লাখ টাকা।