শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদকের বিস্তার ও ইভটিজিংয়ের মতো সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। দেশের সব মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজে গঠন করতে হবে ‘মাদক ও ইভটিজিং প্রতিরোধ কমিটি’। শুধু কমিটি গঠন করলেই হবে না, এ বিষয়ে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদনও জমা দিতে হবে। এ নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
রোববার (৮ নভেম্বর) মাউশির এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। অধিদপ্তরের সব আঞ্চলিক পরিচালক, বিভিন্ন কলেজের অধ্যক্ষসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে চিঠিটি পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) জাতীয় নিরাপত্তাসংক্রান্ত কমিটির গত ৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত মাসিক সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে দেশের সব মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজে এ কমিটি গঠন করতে হবে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, কমিটিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অভিভাবক, স্থানীয় কর্মকর্তা এবং জনপ্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বয়ে কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন পাঠাতে বলা হয়েছে।
এ জন্য নির্ধারিত ই-মেইল ঠিকানা ad-admin@dshe.gov.bd-এ প্রতিবেদন পাঠাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদকাসক্তি ও ইভটিজিংয়ের মতো সমস্যা প্রতিরোধে শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের সমন্বিত উদ্যোগকে গুরুত্ব দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। নতুন এ নির্দেশনার মাধ্যমে দেশের সব মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম আরও সংগঠিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রোববার (৮ নভেম্বর) মাউশির এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। অধিদপ্তরের সব আঞ্চলিক পরিচালক, বিভিন্ন কলেজের অধ্যক্ষসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে চিঠিটি পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) জাতীয় নিরাপত্তাসংক্রান্ত কমিটির গত ৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত মাসিক সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে দেশের সব মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজে এ কমিটি গঠন করতে হবে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, কমিটিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অভিভাবক, স্থানীয় কর্মকর্তা এবং জনপ্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বয়ে কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন পাঠাতে বলা হয়েছে।
এ জন্য নির্ধারিত ই-মেইল ঠিকানা ad-admin@dshe.gov.bd-এ প্রতিবেদন পাঠাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদকাসক্তি ও ইভটিজিংয়ের মতো সমস্যা প্রতিরোধে শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের সমন্বিত উদ্যোগকে গুরুত্ব দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। নতুন এ নির্দেশনার মাধ্যমে দেশের সব মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম আরও সংগঠিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।