সীমান্ত হত্যা নিয়ে বাংলাদেশের প্রতিবাদের কোনো ব্যাখ্যা এখনও ভারত দেয়নি বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। মঙ্গলবার সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘সীমান্তে মানুষ হত্যা করে ভারতের কোন লাভ হচ্ছে না। এ থেকে দেশটির বের হয়ে আসা উচিত। সীমান্ত হত্যা নিয়ে বাংলাদেশের প্রতিবাদের এখনো কোন ব্যাখ্যা দেয়নি ভারত। দুই দেশের স্বার্থে এটা বন্ধ হওয়া উচিত।’
সীমান্তে হত্যা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ভারতকে নিজেদের উদ্বেগের কথা জানিয়ে আসছে বাংলাদেশ। এরপরেও বন্ধ হয়নি সীমান্ত হত্যা।
সবশেষ গত সোমবার ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী সীমান্তে জয়ন্ত কুমার সিংহ (১৫) নামের এক কিশোর বিএসএফের গুলিতে নিহত হয়। এসময় ওই কিশোরের বাবা মহাদেব সিংহসহ আরেকজন আহত হন। এর আগে গত ১ সেপ্টেম্বর মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের লালারচক সীমান্তে স্বর্ণা দাস নামে আরেক কিশোরী নিহত হন।
সীমান্ত হত্যা ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের অন্তরায়: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা সীমান্ত হত্যা ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের অন্তরায়: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এ ঘটনার পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত ৫ সেপ্টেম্বর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভারত সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে কড়া প্রতিবাদ ও নিন্দা জানায়।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বাংলাদেশের সাথে ভারতের গভীর সম্পর্ক আছে। দুই দেশের নিরাপত্তা ও উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করতে চায় ভারত।’
দুই দেশের সম্পর্ক চলমান রেখে সামনে আরও কাজ করতে নিজ দেশের আগ্রহের কথাও জানান ভারতীয় হাইকমিশনার। এসময় সীমান্ত হত্যার বিষয়ে ভারতের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন করা হলে হাইকমিশনার কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। অন্যদিকে, পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে ঢাকা–করাচি ফ্লাইট চালুর বিষয়ে পাকিস্তানের আগ্রহের কথা তুলে ধরেন দেশটির হাইকমিশনার আহমদ মারুফ।
কমেন্ট বক্স